যে তার কর্মে অমর
একজন মানুষকে সম্পূর্ণ মুছে ফেলতে তিন স্তরের আক্রমণ লাগে — শরীর, আইন, আর নাম। বঙ্গবন্ধু হত্যা, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সের একুশ বছরের ইতিহাস, আর তাঁর পরিবার নিয়ে ছড়ানো তিনটি প্রচলিত দাবির দলিলভিত্তিক যাচাই — যা আজও কেউ মিলিয়ে দেখেনি।
বঙ্গবন্ধু হত্যা, একুশ বছরের নীরবতা, আর যে গল্পগুলো আজও কেউ মিলিয়ে দেখেনি
ব্রাসেলসের একটা বাড়ি। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট।
রাষ্ট্রদূতের বাসায় বসে আছেন দুই বোন। একজনের কোলে দুইটা ছোট বাচ্চা — জয় আর পুতুল। আরেকজনের বয়স তখনো বিশের কোঠা পেরোয়নি।
প্যারিস যাওয়ার কথা ছিল সেদিন। টিকিট কাটাই ছিল। হঠাৎ প্ল্যান বদলে যায়। কেন, কেউ বলে না। শুধু বলা হয় — জার্মানি যেতে হবে।
দুই বোনের পকেটে পঁচিশ ডলার করে। এইটুকুই সম্বল।
তিনদিন কেটে যায়। কেউ মুখ ফুটে বলে না ঢাকায় কী ঘটেছে। শুধু সবার চোখেমুখে একটা ভয়। একটা থমথমে নীরবতা।
তারপর খবরটা আসে।
বাবা নেই। মা নেই। তিন ভাই নেই। একজনও নেই।
এইটা রাজনীতির গল্প না। এইটা দুইটা মেয়ের গল্প, যারা এক দুপুরে জানতে পারে তাদের গোটা পরিবার আর নাই।
আজ, পঞ্চাশ বছর পর, এই মানুষটার নাম নিয়ে যা হচ্ছে তা দেখলে একটা প্রশ্ন মনে আসেই — যাকে হারানোর জন্য এতকিছু করা লাগল, সে আসলে কতটা বড় মানুষ ছিল?
যাকে অন্য কোনোভাবেই হারানো যেত না
১৯৭৩ সাল, আলজেরিয়া। বিশ্বনেতাদের এক সম্মেলন।
কিউবার ফিদেল কাস্ত্রো বঙ্গবন্ধুকে দেখে জড়িয়ে ধরেন। বলেন একটা কথা, যা আজও মানুষ মনে রাখে।
“আমি হিমালয় দেখিনি। কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। সাহস আর ব্যক্তিত্বে এই মানুষটাই হিমালয়।”
একজন বিদেশি নেতার মুখের কথা এইটা। কোনো দলীয় স্লোগান না।
নিউজউইক তাকে ডাকত “রাজনীতির কবি”।
সংখ্যাটা একবার দেখুন — জীবনের চার হাজার ছয়শো বিরাশি দিন কেটেছে জেলে। প্রায় তেরো বছর। স্কুলে থাকতে প্রথম গ্রেপ্তার। আগরতলা মামলায় ফাঁসির ঝুঁকি মাথায় নিয়ে সেনা হেফাজত। জেলের ভেতর বসেই লেখা “কারাগারের রোজনামচা”।
২০০৪ সালে বিবিসি বাংলা সারা দুনিয়ার বাঙালিদের জিজ্ঞেস করেছিল — কে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি? একশো চল্লিশটা নাম থেকে চূড়ান্ত তালিকায় এলো বিশজন। শীর্ষে তিনি। রবীন্দ্রনাথের প্রায় দ্বিগুণ ভোট।
এইটা সরকারের সিদ্ধান্ত না। দুনিয়ার এমাথা-ওমাথা ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের নিজের হাতে দেওয়া রায়।
যাকে ভোটে হারানো যায় না। তুলনায় হারানো যায় না। বিদেশি নেতার মুখেও যার সমকক্ষ কেউ নেই।
তাকে হারানোর একটাই পথ থাকে।
শরীরটাকে যেভাবে শেষ করা হলো
সেই ব্রাসেলসের বাড়িতে যে ফাঁকটা ছিল — ঢাকায় কী ঘটেছিল — এবার সেটা বলি।
ভোর তখনো পুরোপুরি ফোটেনি। ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে গুলির শব্দ ওঠে। সিঁড়ির মুখে বঙ্গবন্ধুকে ঘিরে ফেলে খুনিরা।
তিনি চিৎকার করে বলেন, “তোরা কী চাস?”
সিঁড়ির নিচে দাঁড়িয়ে ছিল মেজর নূর আর ক্যাপ্টেন হুদা। স্টেনগান গর্জে ওঠে। সিঁড়ি ভেসে যায় রক্তে।
একই রাতে, একই বাড়িতে নিহত হন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিন ছেলে — শেখ কামাল, শেখ জামাল, আর মাত্র দশ বছরের শিশু শেখ রাসেল। দুই পুত্রবধূ।
শেখ কামালের বিয়ে হয়েছিল মাত্র একমাস আগে। ১৪ই জুলাই। সুলতানা কামালের সাথে — নিজেও একজন ক্রীড়াবিদ, ১৯৭৩ সালে ভারতে লংজাম্পে রৌপ্যপদক জেতা। শেখ জামালের বিয়ে তিনদিন পর, ১৭ই জুলাই। মাত্র উনত্রিশ দিন আগে।
দুইটা নতুন সংসার। কোনোটাই দুই মাস টিকল না।
শহরের আরেক প্রান্তে, মিন্টো রোডে, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বাড়িতেও একই রাতে হামলা হয়। ছয়জন নিহত — তিনি নিজে, মেয়ে, ছেলে, নাতি, ভাইয়ের ছেলে। আরেক বাড়িতে নিহত হন ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মনি আর তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি। একটা অনাগত জীবনও শেষ হয়ে যায়, জন্মের আগেই।
একটা কথা স্পষ্ট করে বলা দরকার। এই হত্যায় সেনাবাহিনীর তখনকার হাইকমান্ড জড়িত ছিল না। এইটা কয়েকজন জুনিয়র আর বরখাস্ত অফিসারের কাজ, গোটা প্রতিষ্ঠানের না। আর ফলটাও সেনাবাহিনীর জন্য শুভ হয়নি — পরের মাসগুলোয় পাল্টা-অভ্যুত্থানে বহু অফিসার নিজেরাই প্রাণ হারান।
তার শেষ বছরের একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক আছে — বাকশাল। ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংসদে তিনি নিজেই কারণ বলেছিলেন — দুর্ভিক্ষ, চোরাচালান, প্রশাসনিক অচলাবস্থা এমন জায়গায় গিয়েছিল যে প্রচলিত রাজনীতি দিয়ে সামাল দেওয়া যাচ্ছিল না। এইটা তার নিজের যুক্তি, তার নিজের মুখে। কিন্তু ফলাফলও সত্য — সব দল নিষিদ্ধ হলো, সংবাদপত্র বন্ধ হলো, আর এই সিদ্ধান্তই কিছু মহলে অসন্তোষ তৈরি করেছিল যা পরের অভ্যুত্থানের রাস্তা খুলে দেয়। উদ্দেশ্য আর পরিণতি — দুইটাই সত্য, পাশাপাশি রাখা হলো। বিচার পাঠকের।
শরীরকে শেষ করতে লাগল কয়েক মিনিট।
কিন্তু যদি এইটা সত্যিই ন্যায্য কাজ হতো, তাহলে এর পরের চল্লিশ দিনে একটা আইনের দরকার পড়ল কেন?
বিচারকে যেভাবে আটকানো হলো
১৯৭৫ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর। খন্দকার মোশতাক আহমেদ একটা কাগজে সই করেন।
নাম তার ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স।
একটা কলমের আঁচড়ে যা হলো তা সহজ কথায় ভয়ংকর — এখন থেকে ১৫ই আগস্টের ঘটনা নিয়ে কোনো আদালতে কেউ মামলা করতে পারবে না।
চার বছর পর জিয়াউর রহমানের আমলে এই অধ্যাদেশ পূর্ণাঙ্গ আইনে বদলায়। পঞ্চম সংশোধনী দিয়ে সংবিধানের আশ্রয়ও দেওয়া হয়। এরপর একুশ বছরের নীরবতা।
একটা গোটা প্রজন্ম বড় হয়েছে এই বাস্তবতা মেনে নিয়ে — জাতির পিতার হত্যার বিচার হবে না। কখনো না।
১৯৯৬ সালে সরকার বদলের পর এই আইন বাতিল হয়। আর ১৯৯৭ সালের ২৮শে জানুয়ারি হাইকোর্ট যা বলে, সেটাই আসলে গোটা একুশ বছরের ভিত্তিটা ভেঙে দেয়।
মোশতাকের অধ্যাদেশ শুরু থেকেই অবৈধ ছিল। কারণ সংবিধান মতে তিনি তখন বৈধ রাষ্ট্রপতিই ছিলেন না। পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হওয়ার কথা ছিল উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের, যিনি তখনও জীবিত।
মানে যে কাগজ একুশ বছর বিচার আটকে রেখেছিল, তার ভিত্তিই কখনো ছিল না।
দীর্ঘ বিচারের পর ১৯৯৮ সালে পনেরো জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আপিল বিভাগ শেষ বাধা সরায় সেই বছরই। ২০১০ সালের জানুয়ারিতে পাঁচজনের ফাঁসি কার্যকর হয়।
একুশ বছরের একটা কাগজ, শেষমেশ, ধুলোয় মিশে যায়।
আইন হাত বাঁধতে পারে। কিন্তু আইন দিয়ে মন বদলানো যায় না।
তাই যা বাকি রইল, তা হলো গল্প।
নামটাকে যেভাবে মোছার চেষ্টা চলছে আজও
একটা ছবি অনেকদিন সামাজিক মাধ্যমে ঘুরছে। একদিকে না খাওয়া মানুষ মরছে। অন্যদিকে বঙ্গবন্ধুর দুই ছেলের বিয়েতে জাঁকজমক, মাথায় সোনার মুকুট।
দুর্ভিক্ষের মধ্যে বিয়ে — এই বৈপরীত্যটাই মানুষকে সবচেয়ে বেশি ক্ষুব্ধ করে।
চলুন মিলিয়ে দেখি।
শেখ কামালের বিয়ে ১৪ই জুলাই ১৯৭৫। শেখ জামালের ১৭ই জুলাই। আর বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ — বাংলাপিডিয়া আর অমর্ত্য সেনের গবেষণা বলছে — শুরু মার্চে, সবচেয়ে খারাপ সময় জুলাই থেকে অক্টোবর, তারপর ধীরে ধীরে উন্নতি। ১৯৭৫-এর জানুয়ারির পর অনাহারে মৃত্যুর কোনো উল্লেখযোগ্য খবর আর পাওয়া যায় না।
মানে যে বিয়ে হয়েছিল জুলাইয়ে, তার সাত-নয় মাস আগেই দুর্ভিক্ষের সবচেয়ে খারাপ সময়টা কেটে গিয়েছিল।
শুধু দুইটা তারিখ পাশাপাশি রাখলেই এই দাবি ভেঙে পড়ে।
তবুও এই কাজটা কখনো কেউ করেনি।
আরেকটা গল্প — শেখ কামাল নাকি ব্যাংক ডাকাত ছিলেন। এইটার একটা শুরুর গল্প আছে। ১৯৭৪ সালে ফকিরেরপুলে ডাকাতির খবর পেয়ে শেখ কামাল পুলিশ সুপারকে জানান। পুলিশ ডাকাত ধরে ফেলে। এই সাহায্যকারীর ভূমিকাটাই মুখে মুখে ঘুরে বিকৃত হয় — “খবর দিয়েছিলেন” থেকে হয়ে যায় “নিজেই গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।”
গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ, যার এই ঘটনায় দলীয় স্বার্থ নাই, তার বই “জাসদের উত্থান-পতন”-এ এইটা খুঁড়ে দেখেছেন। প্রমাণ দেখিয়ে বলেছেন — এইটা একটা বহুল-বিশ্বাসিত কিন্তু কখনো প্রমাণিত না হওয়া গল্প।
যুক্তিটাও সহজ। প্রধানমন্ত্রীর ছেলের টাকা দরকার হলে ব্যাংক ম্যানেজাররাই নিজে এনে দিতেন। বন্দুক হাতে ব্যাংকে ঢোকার দরকারটা কার ছিল?
তৃতীয় গল্পটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এইখানে প্রমাণ আসছে এমন একজনের কাছ থেকে, যার কোনো কারণ নেই মিথ্যা বলে কাউকে বাঁচানোর।
দাবি এইরকম — শেখ কামাল নাকি মেজর ডালিমের স্ত্রীকে অপহরণ করেছিলেন।
কিন্তু মেজর ডালিম নিজে — যিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে অংশ নিয়েছিলেন, যার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা আজও বহাল — তার নিজের বইয়ে লিখে গেছেন এইখানে শেখ কামাল আসলে জড়িতই ছিলেন না। জড়িত ছিলেন অন্য একজন, গাজী গোলাম মোস্তফা।
একটু থামুন এইখানে।
একজন মানুষ, যিনি নিজে বন্দুক হাতে বঙ্গবন্ধু হত্যায় অংশ নিয়েছিলেন, তার কোনো স্বার্থ নেই মৃত প্রেসিডেন্টের ছেলের পক্ষে সাফাই গাওয়ার। তবুও তিনি নিজের বইয়ে লিখে গেছেন — তার নিজের নামে বছরের পর বছর চলা এই প্রচারণা মিথ্যা।
এইটা কোনো রাজনৈতিক দলের কথা না। এইটা অভিযুক্তের নিজের স্বীকারোক্তি।
তবুও এই একটা তথ্য কখনো ব্যাপকভাবে ছড়ায়নি।
আর এই কাজ থেমে গেছে, তাও না। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে, পঞ্চাশ বছর আত্মগোপনে থাকার পর, মেজর ডালিম প্রথমবার প্রকাশ্যে আসেন — এক ইউটিউব লাইভে। একরাতে আট লক্ষের বেশি মানুষ দেখেন, নতুন রেকর্ড গড়ে। সেখানে তিনি নতুন করে ইতিহাস বলেন, নিজের ভাষায়। আর সেই বক্তব্য নিয়ে আজও বিতর্ক চলছে — কোনটা সত্য, কোনটা বিকৃতি।
পঞ্চাশ বছর পরেও একজন মানুষের মুখের কথায় ইতিহাস নতুন করে লেখা হচ্ছে।
প্রশ্ন সেই একই থেকে যায় — এইবারও কি আমরা মিলিয়ে দেখব না?
ব্রাসেলসে ফেরা
সেই মেয়েটা, যে তিনদিন জানত না তার পরিবারের কেউ বেঁচে নেই — সে আজও বেঁচে আছে।
কিন্তু তার বাবার নাম নিয়ে আজও নতুন গল্প তৈরি হচ্ছে। যাচাই ছাড়াই। প্রতি বছর নতুন করে।
শরীরকে হত্যা করা গিয়েছিল কয়েক মিনিটে। কিন্তু ২০০৪ সালের সেই জরিপ প্রমাণ করে — সুনামকে হত্যা করা যায়নি।
আইন একুশ বছর বিচার আটকে রাখতে পেরেছিল। চিরদিন না। কারণ মিথ্যার ওপর দাঁড়ানো কোনো কাঠামো টেকে না।
গল্প ছড়ানো গেছে ঠিকই। কিন্তু প্রতিটা গল্প নিজের ভেতরে একটা ফাঁক রেখে গেছে — একটা তারিখ, একটা বইয়ের পাতা, একটা আদালতের রায়।
তিন স্তরের আক্রমণ। তিনটাই শেষ পর্যন্ত অসম্পূর্ণ থেকে গেছে।
এই লেখা কোনো দলের পক্ষে না, কোনো দলের বিপক্ষেও না। এইখানে যা করা হলো তা সহজ কিছু কাজ — দুইটা তারিখ পাশাপাশি রাখা, একটা বইয়ের পাতা খুঁজে বের করা, একটা রায় পড়া। দুর্লভ কোনো দক্ষতা লাগে না এতে। শুধু লাগে একটা অভ্যাস — বিশ্বাস করার আগে একবার থেমে যাচাই করা।
জাতির পিতা কোনো দলের সম্পত্তি না। তিনি একটা জাতির জন্মের দলিল।
আর দলিল যাচাই করা যায়। মুছে ফেলা যায় না।
পরের বার যখন তার নাম নিয়ে কোনো দাবি শুনবেন, একটা ছবি চোখে পড়বে, একটা গুজব কানে আসবে — তারিখটা একবার মিলিয়ে দেখবেন কি?
গ্রন্থপঞ্জি ও সূত্র নির্দেশিকা
বঙ্গবন্ধুর নিজের রচনা:
- শেখ মুজিবুর রহমান, অসমাপ্ত আত্মজীবনী, দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড
- শেখ মুজিবুর রহমান, কারাগারের রোজনামচা
- শেখ মুজিবুর রহমান, আমার দেখা নয়াচীন, বাংলা একাডেমি (২০২০)
দেশীয় গবেষণা ও সাংবাদিকতা:
- মহিউদ্দিন আহমদ, জাসদের উত্থান-পতন: অস্থির সময়ের রাজনীতি, প্রথমা প্রকাশন
- শরিফুল হক ডালিম, যা দেখেছি যা বুঝেছি যা করেছি
- সরাফ আহমেদ, ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন, প্রথমা প্রকাশন
- ওয়াজেদ মিয়া, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঘিরে কিছু ঘটনা ও বাংলাদেশ (১৯৯৩)
- হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী, কূটনীতির অন্দরমহল (২০১২)
আদালত ও সরকারি নথি:
- Indemnity (Repeal) Act, 1996
- হাইকোর্ট রায়, ২৮ জানুয়ারি ১৯৯৭
- UNESCO Memory of the World Register, ৭ই মার্চের ভাষণ অন্তর্ভুক্তি ঘোষণা, ৩০ অক্টোবর ২০১৭
পরিসংখ্যানগত ও একাডেমিক সূত্র:
- Amartya Sen, Poverty and Famines
- বাংলাপিডিয়া, “দুর্ভিক্ষ ১৯৭৪” এন্ট্রি
- BBC বাংলা, “সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি” জরিপ, ২০০৪
সংশোধনী নীতি
এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত যেকোনো তথ্যগত ভুল বা অসম্পূর্ণতা প্রমাণসহ চিহ্নিত করা হলে বেঙ্গল গেজেট তা যাচাই করে যথাযথ সংশোধনী প্রকাশ করবে। যেকোনো উল্লেখিত পক্ষ বা ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া জানানোর জন্য সম্পাদকীয় দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা যেতে পারে।
Signal (গোপনীয় যোগাযোগ): abr.11 ·
editor@bengalgazette.asia
© ২০২৬ Bengal Gazette। কোম্পানি নং ১৭২৪৩৩৫৪ (ইংল্যান্ড ও ওয়েলস)। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
পুনঃপ্রকাশ/লাইসেন্সিং: licensing@bengalgazette.asia
