Est. in the tradition of James Augustus Hicky  ·  Printer & Publisher  ·  Calcutta, 1780

শিশু যখন সংবাদ;মিডিয়া হয় প্রভাবক-জনতা বিচারক

আইন একটি শিশুকে বিশেষ পরিচয় দিয়েছে বলেই তার বাড়তি সুরক্ষা পাওয়ার কথা। সেই পরিচয় নিয়েই সে জনতার আদালতে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে কীভাবে—রাষ্ট্র থেকে সংবাদকক্ষ পর্যন্ত সুরক্ষার শৃঙ্খলটি ঠিক কোথায় ভাঙছে, তার সন্ধান।

আইনের আলো ও নীরবতার অন্ধকার: আইন বদলেছে, থানার চৌকাঠ কি বদলেছে?

রামিসা আক্তারের মামলার রায় এসেছিল উনিশ দিনে। একই সময়ে সিদ্ধিরগঞ্জের পাঁচ কিশোরের ঘটনা গিয়েছিল সালিশে। এই পার্থক্য এখন আইনে মুছে গেছে — কিন্তু থানার চৌকাঠে এখনো না।

জুজুর দরজায় বেঙ্গল গেজেটঃRTI আইনে DGFI সহ ৯ সংস্থায় তথ্য চেয়ে আবেদন

বাংলাদেশে গোয়েন্দা সংস্থাকে তথ্য অধিকার আইনে প্রশ্ন করা একরকম ওপেন সিক্রেট ট্যাবু। বেঙ্গল গেজেট নয়টি সরকারি প্রতিষ্ঠানে (যার মধ্যে NTMC ও DGFI-ও আছে) আনুষ্ঠানিক তথ্য আবেদন দাখিল করে সেই সীমারেখাটাই পরীক্ষা করছে — আইনের এমন একটা ধারা ব্যবহার করে, যা বাংলাদেশে সম্ভবত এর আগে কখনো এভাবে প্রয়োগ হয়নি।

যে কান প্রধানমন্ত্রীকেও ছাড় দেয়নি; বিদেশী আড়িপাতার যন্ত্রে রাষ্ট্র ও ব্যক্তি কতটুকু নিরাপদ?

বিদেশি যন্ত্রে তৈরি রাষ্ট্রীয় গোপন রেকর্ড কীভাবে বিদেশি গণমাধ্যম পর্যন্ত পৌঁছে গেল, আর এই একই ব্যবস্থা কি আপনার ফোনকেও নিরাপদ রাখতে পারবে — সাবমেরিন ক্যাবল থেকে Pegasus পর্যন্ত, একটা পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান।

নির্জনা খুন হয়েছে দুইবার — একবার ঘরে, একবার শিরোনামে

একটা মেয়ে খুন হলো, আর গণমাধ্যমগুলো ব্যস্ত হয়ে গেলো তার “দোষ” খুঁজতে — যেন খুনটা তারই কোনো ভুলের ফল।নিউজরুমে বসে যেই এডিটর একটা শিরোনাম লেখেন “একাধিক সম্পর্কের জেরে খুন” — তিনি জানেন এটা ক্লিক আনবে। কিন্তু তিনি এটাও জানেন না, বা জানতে চান না, এই একটা লাইন কীভাবে একজন মৃত মানুষকে দ্বিতীয়বার খুন করে দেয়। ভিউ বাড়ে, দায়িত্ব কমে।
এটা সংবাদ না। এটা বিচার। আর বিচার করার অধিকার কোনো পত্রিকার নেই, বিচার করে আদালত।
বাংলাদেশের গণমাধ্যমের একটা বড় অংশ আজ ভিউয়ের পেছনে ছুটছে, নীতির পেছনে না। শিশু অধিকার সংরক্ষণ আইন কী বলে, সাংবাদিকতার আন্তর্জাতিক নীতিমালা কী বলে — এসব এখন শুধু বইয়ের পাতায় থেকে যাচ্ছে।